1. riyaakhter747@gmail.com : রিয়া আক্তার : রিয়া আক্তার
অল্প বয়সী মেয়ে পটানোর ডায়লগ ১০০% কাজ করবে
মেয়ে পটানোর ডায়লগ
অল্প বয়সী মেয়ে পটানোর ডায়লগ ১০০% কাজ করবে

এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বর্তমান সময়ে সবথেকে জনপ্রিয় মেয়ে পটানোর ডায়লগ গুলো। যে ডায়লগ গুলো ব্যবহার করা মাধ্যমে খুব সহজে যে কোন মেয়েকে পটাতে পারবেন। আমাদের মত অনেকে আছেন যারা অল্প বয়সে মেয়েদের সাথে রিলেশন করে থাকেন অথবা মেয়েদেরকে পটাতে চান। বাট আমরা সবাই জানি অল্প বয়সে মেয়েদের পটাতে ব্যাপক কষ্ট করতে হয় এবং অনেক বুদ্ধি খাটাতে হয়। মেয়ে পটানো ডায়লগ গুলো কিভাবে ব্যবহার করবেন ও ডায়লগ গুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া আছে।

যেমন অল্প বয়সী মেয়ে পটানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডায়লগ দিতে হয়। কিন্তু কত ডায়লগ আর আপনি বানাবেন বা আপনি যে সব সময় ডায়লগ বানাতে পারবেন এমনটা নয়। আর আপনি যে ডায়লগটি মেয়েটিকে দিবেন তাতে যে মেয়েটি গোলে আপনার প্রেমে পড়ে যাবে তেমনটা নাও হতে পারে। তাই আজ আমরা আপনাদের অল্প বয়সে মেয়ে পটানোর জন্য সবথেকে জনপ্রিয় ও কার্যকরী কয়েকটি মেয়ে পটানোর ডায়লগ শেয়ার করব।

অল্প বয়সী মেয়ে পটানোর ডায়লগ

আপনারা চাইলে এসব মেয়ে পটানোর ডায়লগ  থেকে আইডিয়া নিয়ে পরবর্তীতে নিজের মনের মতো করে একটি রোমান্টিক ও ভালো ডায়লগ বানাতে পারেন। অথবা এই ডায়লগটি আপনি হুবহু ব্যবহার করতে পারেন। আমরা আপনাদের মাঝে যে ডায়লগ গুলো শেয়ার করব সেগুলোতে মেয়েদের কথার কিছুটা পরিবর্তন হলেও  আপনার বা ছেলেদের কথার তেমন কোন পরিবর্তন হবে না আশা করি। আপনি চাইলে এগুলো ফেসবুকে চ্যাটিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন অথবা আপনার ভালবাসা মানুষের সাথে যখন সরাসরি কথা বলবেন তখন এগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে চলুন আর দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক ডায়লগ গুলো।

১ নম্বর ডায়ালগ
আপনি মেয়েটিকে বলতে পারেন- তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে! তুমি আমার সঙ্গে প্রেম করো কিংবা না করো,  সেটা আলাদা ব্যাপার,  ভিন্ন কথা। কিন্তু তোমার সঙ্গে একটু কথা বলার ইচ্ছা হলে,  প্লিজ তুমি একটু আমার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলিও। তাহলেই হবে, ব্যাস। প্লিজ তুমি আমাকে কথা দাও এই ছোট্ট আবদার টুকু রাখবে! তো বন্ধুরা আপনি যখন এই কথাটি কোন অল্প বয়সে মেয়েকে পটানোর জন্য বলবেন তখন মেয়েটি স্বাভাবিকভাবে আপনার প্রতি কিছুটা হল ইম্প্রেস হয়ে যাবে। ধীরে ধীরে আপনার প্রতি দুর্বল হবে এবং ভাললাগা শুরু করে দেবে। আর একটা সময় ঠিকই আপনি যদি ধৈর্য ধরে থাকেন তবে আপনার আবদার টুকু সে রেখে দেবে এবং তার হৃদয় আপনার জায়গা বানিয়ে নিতে পারবেন।
২ নম্বর ডায়ালগ
আপনি মেয়েটিকে বলতে পারেন- তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না! তোমাকে না পেলে আমি আমার জীবনটাকে খতম করে দিব,  ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব নিজের জীবনের থেকে। তোমাকে যদি নাই বা পাই তাহলে বেঁচে থেকে এই পৃথিবীতে আর লাভ কি!  মরে যাওয়াই এর চেয়ে অনেক ভালো।  এই কথাটি বলার পর আপনি আবার সত্যি সত্যি ইঁদুর মারার বিষ কিনতে বাজারে যায়েন না অথবা বিষ খাইয়েন না। এটা জাস্ট শুধু মাত্র আপনি মেয়েটিকে কত ভালবাসেন এবং মেয়েটিকে ভয় দেখানোর জন্য। এতে করে মেয়েটি মনে করবে আপনি সত্যি সত্যি তাকে অনেক ভালোবাসেন এবং আপনি তাকে না পেলে সত্যি সত্যি বিষ খেয়ে মরে যেতে পারেন।
৩ নম্বর ডায়ালগ
আপনি মেয়েটিকে বলতে পারেন- তুমি আমাকে ভালো না বাসলেও আমি তোমাকে একাই নিজের থেকে ভালবেসে যাব। তুমি আমার দিকে তাকাও কিংবা না তাকাও,  তোমাকে একটি নজর দেখার জন্য প্রতিদিন তোমার স্কুল গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবো ঠিকই। এতে করে তুমি আমাকে যতই অপমান করো না কেন, আমার সঙ্গে যতই খারাপ আচরণ করো না কেন; আমি তবুও তোমাকে একান্ত ও নীরবে ভালোবেসেই যাবো এ ধরনের ডায়লগ এর মাধ্যমে আপনি তাকে ইমোশনাল করতে পারেন। কারণ প্রত্যেকটি মেয়ে চাই এমন কাউকে ভালবাসতে যে তাকে অনেক বেশি কেয়ার করবে এবং তার দেওয়া শত আঘাতের পর তাকে ভালবেসে যাবে।

নাম্বার ডায়লগ ও কথা

এবার আমরা আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বর্তমান সবথেকে বেশি কার্যকরী কম বয়সী মেয়েদের পটানোর ডায়লগযে মেয়ের সাথে আপনার নিয়মিত কথা হয়। যার সাথে আপনি টুকটাক মজা করেন এমন মেয়েকে পটাতে চাইলে তার সাথে কথা বলার সময় আপনি তাকে বলতে পারেন।

তোমাকে আগে থেকেই একটা কথা বলে রাখি।

মেয়ে তখন হয়তো বলবে,হুম বলো।

তখন আপনি বলবেন- আমি যদি তোমার প্রেমে পড়ে যাই,তো এতে কি‘ আমার কোনো দোষ নেই।

কারন, তোমার মিষ্টি মিষ্টি কথা আমাকেফাসাইসে।

 


৫ নাম্বার ডায়লগ ও কথা

অল্প বয়সী মেয়েদের পাঠাতে চাইলে এখন থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হওয়ার চেষ্টা করুন। তবে দাঁড়ান দৌড় দিয়েন না। বিষয়টি আগে আমি আপনাদের বুঝিয়ে বলি। বিষয়টা হলো অল্প বয়সী মেয়েরা কোন কিছু সম্পর্কে বিস্তারিত জানেনা। কারণ তাদের বয়সটা এমন যে তারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এমন অনেক কিছু জানতে পারে যা তারা এর আগে কখনো জানত না বা এর আগে তারা কখনো এ ব্যাপারে শোনেনি।

আর নতুন কিছু জানতে কার না ভালো লাগে? আর সেই জানার বিষয়গুলো যদি রিলেশন, আবেগ, রোমান্স, শরীর ইত্যাদি সম্পর্কে হয়। তাহলে তো আর কোন কথাই নেই একদমই মজাই আর মজা। আর কোন অল্প বয়সে মেয়েরা যদি কোন ছেলের সাথে কথা বলে বুঝতে পারেন, যে সে ছেলেটি এসব বিষয় সম্পর্কে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো জ্ঞানী।

তখন তারা সেই ছেলেটির চারপাশে মাসির মতো ভ্যান ভ্যান করে সেই ছেলেটির সাথে দুই একটা কথা বলে যখন তারা দেখে আরে এর সাথে কথা বলে তো মজার মজার অনেক কিছু জানতে পারতেছি এবং শিখতে পারতেছি। তখন তারা এতটা মজা পায় যে তারা নিজেই সেই ছেলেটির সাথে কথা বলার জন্য সবসময় অস্থির হয়ে থাকে। তারপর আর কি যা হবার সেটাই হবে।

মেয়েটির নতুন কিছু জানার আগ্রহ এবং আর এদেরকে ছেলেটির চামড়ার মুখ ফসকেএই কথা থেকে সে কথা, সে কথা থেকে ওই কথা, আর ওই কথা থেকে কখন যে একদম ওই কথাপৌঁছে যায় সেটা তারা নিজেরাই বুঝতে পারে না। তাই আপনিও যদি খুব অল্প বয়সে কোনো অল্প বয়সী মেয়ের সাথে গভীর সম্পর্ক তৈরি করতে চান। তাহলে যখনই আপনি অল্প বয়সী মেয়ের সাথে কথা বলবেন। তখন এমন কিছু কথা বলবেন বা এমনভাবে কথা বলবেন। যেন মেয়েটি আপনার কথা শুনে অথবা আপনার সাথে কথা বলে বুঝতে পারে যে, আপনি প্রেম ভালবাসা, রিলেশন, রোমান্স, শরীর ইত্যাদি সম্পর্কে প্রচুর জ্ঞানী।

মেয়েটিকে বোঝানোর চেষ্টা করুন আপনি এগুলো সম্পর্কে অনেক কিছু জানেন। এক কথায় বলতে গেলে, আপনি এগুলোর ব্যাপারে পুরো একটা জ্ঞানের ভান্ডার। আর মেয়েটি যদি খালি একবার এইটা বুঝতে পারে। আর আপনিও যদি মেয়েটির সাথে এমন একটা বন্ধু সুযোগ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। যাতে করে মেয়েটি আপনার সাথে কথা বলার মত সুযোগ হয়। তাহলে মামা আপনার কাজ হয়ে গিয়েছে।

কারণ মেয়েটি আপনার কাছে খুব ঘুরতে পানি সন্ধান পেয়েছে। এবার মেয়েটি যখন তৃষ্ণার্ত হবে তখনই সে আপনার কাছে ছুটে আসবে। আর এটা সবারই জানা যায় অল্প বয়সে মেয়েদের শরীরে পানির বদ্ধ অভাব। তার মানে বুঝতে পারছেন, পানি পান করার জন্য আপনার কাছে আসার অভ্যাসটা তার একবার হয়ে গেল। সে আপনার পিছনে সব সময় ফেবিকলের মত লেগে থাকবে। তাহলে আর কি চান? জ্ঞান দিতে থাকুন, আর ফায়দা নিতে থাকুন।

আর হ্যাঁ তরকারি তো অবশ্য বেশি দেওয়ার চেষ্টা করুন কারণ অল্প বয়সী মেয়েরা কিন্তু মসলা বেশি ভালোবাসি। আশা করি কি বুঝাতে চাইলাম সেটা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছেন।


নাম্বারডায়লগ ও কথা

হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন। অল্প বয়সী মেয়েরা তাদের বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড অথবা তাদের বান্ধবীর পছন্দ এমন ছেলের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। কারণ অল্প বয়সী মেয়েদের নিজের পছন্দ বলতে তেমন কিছুই থাকে না। তারা মাথার চুল বাজারে স্টাইল থেকে শুরু করে জুতা পরা পর্যন্ত সবকিছু বান্ধবীরকে দেখে কপি করে। এরা মার্কেটে গিয়ে একটি ড্রেস কেনার জন্য সারাদিন ঘুরো পছন্দ করতে পারেনা। যেকোনো বান্ধবীর সুন্দর ড্রেস কিনলে, এত সুন্দর ড্রেস কোথায় পেলি বলনা? আমি এমন ড্রেস কিনব, এটা হল অল্প বয়সী মেয়েরা। ওদের এই অভ্যাসের কারণে বয়ফ্রেন্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সেম ভাবে কাজ করে থাকে।

তাই আপনি যদি আপনার পছন্দের মেয়েটির বান্ধবীর সাথে মিল লাগাতে পারেন এবং তার বান্ধবীর সামান্যতম মন জয় করতে পারেন এবং তার বান্ধবী যদি আপনাকে ভালো ছেলে হিসেবে বিবেচনা করে, আপনাকে ভালো ছেলে হিসেবে পছন্দ করা শুরু করে তাহলে কাজ হয়ে গেছে। এটা শুধুমাত্র আপনার পছন্দের মেয়েটির নজরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। একবার যদি মেয়েটি বুঝতে পারে যে তার বান্ধবী আপনাকে খুব পছন্দ করে। ব্যাস সেদিন থেকে সেও আপনাকে পছন্দ করা শুরু করে দিবে।


৭ নাম্বার ডায়লগ ও কথা

অল্প বয়সী মেয়েরা নিজের বাসা বা নিজের থাকার জায়গা থেকে অর্থাৎ একদম আশেপাশে রিলেশন করতে সবচেয়ে বেশি  আগ্রহী হয়ে থাকে। বিশ্বাস না হলে আপনি খোঁজ নিয়ে দেখুন যেসব অল্প বয়সী মেয়েরা প্রেম করে অধিকাংশ আশেপাশের কোন ছেলের সাথে সেট হয়ে আছে। তুই বলতে এর পেছনে আসল রহস্যটা কি সেটা আপনার মত আমিও জানিনা। তবে এর কারণ হতে পারে অল্প বয়সী মেয়েরা অতিরিক্ত আবেগী হওয়ার কারণে তারা সব সময় ভালোবাসার মানুষটিকে কাছে অথবা আশেপাশে পেতে চায় ।

সুতরাং আপনি যদি কোন অল্প বয়সী মেয়ের সাথে রিলেশন করতে চান এবং সাথে এটাও চান যে মেয়েটিকে যেন সহজে পটাতে পারেন। তাহলে আপনার আশেপাশে থাকা সিঙ্গেল অল্প বয়সী মেয়েকে পটানোর চেষ্টা করুন। আশা করি ১০০% সফলতা পেয়ে যাবেন।


তো বন্ধুরা আশা করি পোস্টে আপনাদের ভালো লেগেছে। এ ধরনের নতুন নতুন পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। আর পোস্টে যদি আপনার সত্যি ভাল লেগে থাকে তবে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে তাদেরকেও দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনি যদি ইতিমধ্যে আমাদের ওয়েবসাইটি সাবস্ক্রাইব করে থাকেন তবে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করব
About The Author
রিয়া আক্তার
আমি রিয়া আক্তার। মেয়ে পটানোর থেরাপি ওয়েবসাইটের সকল আর্টিকেল আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছি। আমি চাই প্রত্যেকটা মানুষ যাতে তার প্রিয়জনের কাছে তার ভালোবাসার কথা বলতে পারে ও প্রিয় জনকে ভালবাসতে পারে।