1. riyaakhter747@gmail.com : রিয়া আক্তার : রিয়া আক্তার
মেয়েদের মন জয় করার উপায ১০০% কাজ করবে
মেয়েদের মন জয় করার উপায়
মেয়েদের মন জয় করার উপায় ১০০% কাজ করবে

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব মেয়েদের মন জয় করার উপায়। কথায় আছে অস্ত্র দিয়ে দেশ জয় করা যায় কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে পুরো বিশ্ব জয় করা যায়। একটি মেয়ের মন জয় করার জন্য যে বিষয়ে লাগে তা আপনার ভালো কাজ করার মধ্যে মূলত হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি আপনার ভালবাসার মানুষটার মন জয় করতে চান তবে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। আর আজ আমরা আপনাদের মাঝে সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

অধিকাংশ ছেলেরা আসলে মেয়েরা কি চায় এবং একজন ছেলের কাছ থেকে মেয়েরা কি আশা করে? সে বিষয় বুঝতে পারে না। যার কারনে হাজারো উপায় অবলম্বন করার পরও ছেলেরা নিজে ভালোবাসার মানুষের মন জয় করতে পারে না। এছাড়া অনেক সময় দেখা যায় যে মেয়েটি আসলে ঠিক কি চাচ্ছে? ছেলেরা বুঝতে না পারার কারণে ছেলেটির পছন্দের মেয়েটি খুশি রাখার নানা রকম কৌশল নিতে গিয়ে অনেক হিমশিম খেতে হয়। আজ মূলত আমরা আপনাদের মাঝে কয়েকটি টিপস শেয়ার করবো যেগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে যে কোন মেয়ে মন জয় করে নিতে পারবেন এবং সেসব টিপস নিয়ে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। প্রথমে জেনে নেওয়া যাক মেয়েদের মন জয় করার জন্য ছেলেদের কি কি করা উচিত সে বিষয়ে গুলো সম্পর্কে।

মেয়েদের মন জয় করার উপায় ১০০% কাজ করবে

  • জিজ্ঞাসা করুন- সে কী চায়?
  • বিশ্বাস অর্জন করুন।
  • আগ্রহ দেখান।
  • খোলাখুলি কথা বলুন।
  • মেয়েটির শুনুন কথা।
  • মেয়েটিকে হাসান।
  • প্রশংসা করুন।

উপরে আমরা আপনাদের মাঝে যে সাতটি বিষয় শেয়ার করেছি এগুলো যদি আপনি মেনে চলেন তবে আশা করি আপনি খুব সহজে যে কোন মেয়ের মন জয় করে নিতে পারবেন। তবে এখন আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে এগুলো কিভাবে মেনে চলতে হবে এবং ঠিক কখন এগুলোর সঠিক ব্যবহার করতে হবে? চিন্তা করবেন না তার জন্য তো আমরা আছি। প্রত্যেকটি বিষয় সম্পর্কে আমরা বিস্তারিতভাবে আপনাদেরকে আজ ধারনা দিয়ে দেব। তাহলে চলুন শুরু করি।

জিজ্ঞাসা করুন- সে কী চায়?

আমাদের মতো দিন শেষ ছেলেরা আসলে এটা বুঝতে পারে না যে মেয়েরা কি চায়? যার কারণে পছন্দের মানুষটিকে খুশি করার জন্য নানা রকম কৌশল অবলম্বন করার পরও মেয়েটিকে খুশি করতে গিয়ে ছেলেরা হিমশিম খেয়ে থাকে। আবার অনেক সময় দেখা যাবে সব মেয়ের চাওয়ার ধরন এক হয় না। তাই আপনাকে প্রথমে যে কাজটি করতে হবে তা হল মেয়েটির পছন্দ অপছন্দ সম্পর্কে জানতে হবে। এজন্য আপনাকে মেয়েটির সাথে কিছু সময় কাটাতে হবে এবং একটি বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পর তার পছন্দ অপছন্দ সম্পর্কে আপনি খুব সহজে জানতে পারবেন।

তাছাড়া আপনি চাইলে মেয়েটির বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে খুব সহজে এসব বিষয় জেনে নিতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে এবং তাদের সাথে একটি বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। তাই আমার মতে তার থেকে ভালো হয় আপনি সেই মেয়েটিকে পছন্দ করেন তার সাথে ফ্রেন্ডলি সম্পর্ক গড়ে তুলুন এবং ধীরে ধীরে তার পছন্দ অপছন্দ সম্পর্কে জেনে নিন।

মেয়েটির বিশ্বাস অর্জন করুন

মেয়েদের মন জয় করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে মেয়েটিকে খুশি করতে হবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে মেয়েটির বন্ধু হতে হবে। আর আমরা সবাই জানি মেয়েরা যাদেরকে বিশ্বাস করে না তাদেরকে কখনোই বন্ধু মনে করে না। তাই স্বাভাবিকভাবে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হলে আগে মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। এছাড়া প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস অর্জনের বিষয়টি জরুরী। যদি কোনদিন কোন কারনে মেয়েটির আপনার প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে তবে আপনাদের মধ্যে সকল সম্পর্ক মূর্তির মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। তাই বুঝতে পারছেন মেয়েদের মন জয় করার ক্ষেত্রে বিশ্বাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের বিশ্বাস অর্জনের ক্ষেত্রে আপনি বেশ কয়েকটি বিষয় অবলম্বন করতে পারেন। এসেছে আপনি চাইলে মেয়েটির কাছের মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারেন এবং তাদের সাথে একটি বন্ধুর সুযোগ সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন। এতে করে আপনার কাজ খুব সহজ হয়ে যাবে। কেননা মেয়েরা নিজের বান্ধবী কে নিজের থেকেও বেশি বিশ্বাস করে। এছাড়া আরো অনেক উপায় রয়েছে যেমন- আপনি চাইলে মেয়েটির সামনে নানা রকম সেবা মূলক কাজ করে মেয়েটির বিশ্বাস অর্জন করতে পারেন।

কথা বলার সময় আগ্রহ দেখান

আপনি যখন আপনার পছন্দের মেয়েটার সঙ্গে কথা বলবেন তখন কখনোই অন্যমনস্ক হবেন না। সময় দেখা যায় ছেলেরা যখন কোন মেয়ের সাথে কথা বলে তখন উদাসীন থাকে বা অন্যমনস্ক থাকে। আর অন্যমনস্ক বা উদাসীন থাকা ছেলেদের মেয়েরা কখনো পছন্দ করে না। এছাড়া আপনি একবার চিন্তা করুন মেয়েরা আপনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছে অথচ আপনি মেয়েটির কথা বলার সময় অন্যমনস্ক আছেন এটা মেয়েটির জন্য অপমানজনকও  বটে। তাই আপনি যখন কোন মেয়ের সাথে কথা বলবেন তখন আগ্রহ দেখিয়ে কথা বলবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যেটা বেশ কয়েকটি বিষয় অবলম্বন করতে পারেন যেমন মেয়েটি সারাদিন কি করল সে সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন অথবা মেয়েটির পরিবার সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। আমরা সবাই জানি মেয়েরা কথা বলতে পছন্দ করে। আর আপনি যদি মেয়েটির পরিবার সম্পর্কে অথবা তার সম্পর্কে জানতে চান সে ক্ষেত্রে মেয়েটি আরো অনেক বেশি খুশি হবে এবং আরো আগ্রহ নিয়ে আপনার সাথে কথা বলতে চাইবে।

খোলাখুলি কথা বলুন

আপনি যখন মেয়েটির সাথে কথা বলবেন তখন অবশ্যই স্মার্টনেস বজায় রেখে মেয়েটির সাথে কথা বলুন। কেননা কথা বলার সময় হাতে এছাড়া এবং চোখের অঙ্গভঙ্গি অনেক সময় মেয়েদেরকে মুগ্ধ করে থাকে। কথা বলার সময় কোন কিছু লুকাবেন না। একটা কথা সব সময় মাথায় রাখবেন নিজের প্রতি যত্নবান ছেলেদের মেয়েরা সব থেকে বেশি পছন্দ করে এবং তাদের সাথে প্রেম করে থাকে। তাই এখন থেকে ধীরে ধীরে নিজের প্রতি হওয়া শিখুন। কেননা আপনি যদি নিজের প্রতি নিজের যত্নবান না হন তাহলে স্বাভাবিকভাবে একটা মেয়ের খেয়াল আপনি কিভাবে রাখবেন।

তাই আজ থেকে চেষ্টা কর নিজের প্রতি যত্নবান হওয়ার এবং কথা বলার সময় স্মার্টনেস বজায় রেখে শুদ্ধ ভাষায় কথা বলার। সব সময় চেষ্টা করবেন আপনি যখন মেয়েদের সাথে কথা বলেন তখন ফ্রেন্ডলি খোলামেলা কথা বলতে। সব সময় চেষ্টা করবেন মেয়েদের সাথে কথা বলার সময় মেয়েরা যেসব বিষয়ে পছন্দ করে সেসব বিষয় কথা বলতে এবং মেয়েরা যেসব বিষয়ে অপছন্দ করে সেসব বিষয়ে এড়িয়ে যেতে। এতে করে মেয়েটি আপনার সাথে কথা বলতে যেমন আগ্রহী হবে তেমনি মেয়েটির আপনার প্রতি একটি আলাদা ফিলিংস কাজ করা শুরু করে দিবে।

মেয়েটির শুনুন কথা

আমরা সবাই জানি মেয়েরা কথা বলতে  ভালোবাসে। আপনি যদি একবার তার সামনে কোনো কথা বলতে শুরু করেন তবে সে উল্টো আপনাকে তার জীবনের অনেক বিষয় সম্পর্কে জানিয়ে দেবে। তাই মেয়েদের সামনে কথা বলার চেয়ে আমি মনে করি সোনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। একটা বিষয় সব সময় মাথায় রাখবেন, যারা সুচিন্তিত ও বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য করে, তাদের প্রতি মেয়েরা সহজেই আকৃষ্ট হয়। 

আপনি চাইলে বিভিন্ন টপিকের উপর মেয়েটির সাথে কথা বলতে পারেন। যেমন সারাদিন মেয়েটি কি কি কাজ করলো অথবা মেয়েটির কি করছে ভালো লাগে অথবা তার পরিবার সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। এতে করে একসাথে আপনার দুটো কাজ হয়ে যাবে প্রথমত আপনি মেয়েটির সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যাবেন এবং সেই সাথে আপনারও মেয়েটির কথা অতি একটি আলাদা আগ্রহ কাজ করবে। যার কারনে মেয়েটি যখন আপনার সাথে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে থাকবে তখন অন্যভাবে আপনি বোরিং ফিল করবেন না।

মেয়েটিকে হাসান

একটা বিষয় সবসময় মাথায় রাখবেন মেয়েরা তাদেরকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে যারা তাদেরকে সবচেয়ে বেশি হাসাতে পারে। মেয়েরা হাসতে খুব পছন্দ। তাই মেয়েদেরকে খুশি রাখার জন্য আপনি চাইলে এই কৌশলটি এখনই বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি যদি মানুষকে খুব সহজে হাসাতে পারেন সে ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে আপনার আলাদা একটি গুরুত্ব তৈরি হয়ে থাকেন। এছাড়া ভালোবাসার মানুষটির মন ভালো করার জন্য আপনি তাকে হাসিয়ে তার মন ভালো করে দিতে পারেন অথবা তার রাগ ভাঙতে পারেন। এতে করে মেয়েটির প্রতি আপনার সবসময় একটা আলাদা ফিলিংস কাজ করবে এবং সে সবসময় আপনাকে মিস করবে।

এখন আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে কিভাবে মেয়েদের হাসানো যায়? আর আমি তো এসব কিছুই জানি না এবং এসব সম্পর্কে আমার তেমন কোন ধারণা নেই। চিন্তা করবেন না সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। এই আর্টিকেলে আপনি কিভাবে মেয়েদেরকে খুব সহজে হাসাতে পারেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি চাইলে আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন। আশাকরি আপনার সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।

প্রশংসা করুন

আমরা সবাই প্রশংসা শুনতে ভালবাসি। অন্যের মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে সবারই ভালো লাগে। তবে বিশেষ করে মেয়েরা প্রশংসা শুনতে একটু বেশি পছন্দ করে। তাই ভালোবাসার মানুষটির মন জয় করার জন্য তার বেশি বেশি প্রশংসা করতে হবে। কিভাবে ভালোবাসা মানুষের প্রশংসা করতে হবে সে সম্পর্কে আপনার যদি কোন ধারণা না থাকে অথবা আপনি যদি এসব বিষয় না জেনে থাকেন সেক্ষেত্রে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। এ সম্পর্কে একটি আর্টিকেল নিচে দেওয়া আছে আপনারা চাইলে পড়ে নিতে পারেন।

মেয়েদের কিভাবে প্রশংসা করতে হয় সে সম্পর্কে জানতেই পড়ুন- মেয়ে পটানোর প্রশংসা

আশা করি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটে নতুন হয়ে থাকেন তবে এ ধরনের নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েব সাইটে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। আর আপনি যদি ইতিমধ্যে আমাদের ওয়েবসাইটে সাবস্ক্রাইব করে থাকেন তবে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করব
About The Author
রিয়া আক্তার
আমি রিয়া আক্তার। মেয়ে পটানোর থেরাপি ওয়েবসাইটের সকল আর্টিকেল আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছি। আমি চাই প্রত্যেকটা মানুষ যাতে তার প্রিয়জনের কাছে তার ভালোবাসার কথা বলতে পারে ও প্রিয় জনকে ভালবাসতে পারে।