ক্লাসে – কোচিং এ – প্রাইভেটে বেশি ভাব দেখানো মেয়েকে পটানোর কৌশল


ক্লাসে – কোচিং এ – প্রাইভেটে বেশি ভাব দেখানো মেয়েকে পটানোর কৌশল

 

মেয়ে পটানো থেরপি ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম! আপনার স্কুল-কলেজে আপনার প্রাইভেটে, আপ্নার কোচিংয়ে, আপনার বাড়ির আশেপাশে এমন মেয়ে অনেক আছে, যার চেহার সুরুত সুন্দর হওয়ার কারনে অথবা অন্য কোন কারনে তার পিছনে ছেলদের লম্বা লাইন লেগে থাকে। আর যার ফলাফল স্বরুপ, মেয়েটি সব সময় একটা ভাব নিয়ে চলে। মেয়েটি কোন ছেলেকেই পাত্তা দিতে চায়না।

 

আপনিও হয়তো মেয়েটির সাথে অনেক বার কথা বলার চেষ্টা করেছেন! অথবা তাকে পটানোর চেষ্টা করেছেন! কিন্তু আপনি মেয়েটির কাছে একটুও পাত্তা পান না। সে আপনার সাথে কথা বলতে আগ্রহই দেখায় না! তখন আপনার মাথাই এই প্রশ্নগুলো নিশ্চয় আসে? কি করলে মেয়েটির কাছে আপনি গুরুত্ত্ব পাবেন? কি করলে মেয়েটি আপনাকে নিয়ে ভাবে বাধ্য হবে? কি করলে মেয়েটি নিজে খুজে আপনার সাথে কথা বলতে চাইবে ? কি তাই তো ?
ওকে কোনো টেনশন নিয়েন না,

 

আজকের এই আর্টিকেলটি জাস্ট শুরু থেকে একদম শেষ পর্যন্ত পড়ুন ১০০% সমাধান পেয়ে যাবেন। তো মাম্মা!এতোদিন তো সোজা আঙ্গুলে ঘি তোলার চেষ্টা অনেক করলেন কিন্তু কোনো কাজ হলনা! চলুন আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাকে বাকা আঙ্গুলে ঘি তোলার একটা কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছি। কথা দিলাম আজকের কৌশলটি এপ্লাই করলে আপনি না মেয়ে নিজে আপনাকে পটানোর চেষ্টা করবে! আর আপনারা তো জানেনই যে আমি কখনো মিথ্যা চাপাবাজি করিনা। তো মাম্মা! তাহলে আর দেরি কেন? চলুন শুরু করা যাক।


(১)স্টেপ নাম্বার বেশি ভাব দেখানো মেয়েদের শখ বা অভ্যাস’ই হচ্ছে ছেলেদেরকে পিছে পিছে ঘুরানো! এরা মনে মনে নিজেকে সব সময় বিশ্ব সুন্দরী মনে করে থাকে। আর তাই, যখন কোনো ছেলে এদেরকে পটাতে চায় এদের পিছে পরে যায় তখন এরা মোটেও অবাক হয়না। কারন তারা তাদের মাইন্ডে এটা সেট করেই নিয়েছে যে সে তার ক্লাসের সবার থেকে বা অন্য সবার থেকে বেশি সুন্দরী, সো ছেলেরা তাকে দেখে পাগল হবেই, তাকে পটানোর চেষ্টা করবেই।

 

আর তার কাজ হবে সবাইকে শুধু পিছে পিছে ঘুরানো, বা সবাইকে ভাব দেখানো। আর এরা এই কাজটি’ সবার সাথে করে থাকে, এদের এটা অভ্যাস’ই হয়ে গেছে। আর তাই আপনিও যখন তাকে পটানোর চেষ্টা করবেন তার পিছনে পড়ে যাবেন, তখন সে আপনার সাথেও সেটাই করবে, যা এতোদিন থেকে সে অন্য সবার সাথেই করে আসতেছে। এমন কাজ করতে হবে। যেটা আজ পর্যন্ত কোনো ছেলেই তার সাথে করেনি। বা মেয়েটি কখনো কল্পনাও করেনি যে কোনো ছেলে তার সাথে এমনটাও করতে পারে।

 

তো মাম্মা! সে কাজটি তাহলে কি হতে পারে? আরে মাম্মা সিম্পল! যেখানে মেয়েটি’ই সবাকে ভাব দেখায়, সেখানে আপনাকেই মেয়েটিকে ভাব দেখাতে হবে। যেখানে সেই মেয়েটিই সবাই কে এড়িয়ে চলে, সেখানে আপনাকেই মেয়েটিকে এড়িয়ে চলতে হবে।

আর তবেই মেয়েটির পুরো ফোকাস আপনার উপর চলে আসবে। এখন কথা হলো, যে মেয়ের সাথে আপনার কোন লেনাদেনাই নাই। যার সাথে আপনার কোন সম্পর্কই নাই। তাকে আপনি যদি এড়িয়ে চলেন তাহলে সেটা কিন্তু মোটেও মেয়েটির নজরেই পড়বেনা। মেয়েটি বুঝতেই পারবেনা যে, আপনি তাকে এড়িয়ে চলতেছেন! আর তাছাড়াও যে মেয়ের সাথে আপনার কোনো সম্পর্কই ছিলোনা তাকে আপনি যদি এড়িয়ে চলেন, তাতে মেয়েটির কিছুই যাবে আসবেনা।

 

তাই প্রথমে আপনাকে একটা কাজ করতে হবে! সেটা হলো কিছুদিন আগে মেয়েটির পিছে ঘুরবেন! তার সাথে কথা বলার জন্য তার সাথে বন্ধুত্ব করার জন্য খুব ইন্টারেস্ট দেখাবেন। এমন একটা ভাব দেখাবেন যে তার জন্য বা তার সাথে কথা বলার জন্য আপনি পুরাই পাগল! তাকে দেখলেই তার সাথে কথা বলবেন। তার আশে পাশেই থাকার চেষ্টা করবেন। এদিকে মেয়েটি তো আপনাকে ভাব দেখাবেই, আপনাকে সহজেই পাত্তা দিতে চাইবেনা। ঠিক আছে তার যা ইচ্ছা করতে দিন! এভাবে কোনো রকমে তার সাথে কয়েকদিন এসব চালিয়ে যান।

 

তারপর যখন দেখলেন আপনি তার মনে বা তার মাথায় একটু হলেও জায়গা করতে পেরেছেন, মেয়েটি বুঝতে পেরেছে যে, আপনি তার পিছে পড়ে আছেন, ব্যাস! আপনার কাজ হয়ে গেছে। এখন হঠাৎ করেই মেয়েটিকে এড়িয়ে চলা শুরু করে দিন। আগে তাকে দেখলেই তার সাথে খুজে কথা বলতেন! এখন তাকে দেখলেও না দেখার ভান করে থাকুন।
এবার দেখুন! মেয়েটির মাথা পুরাই খারাপ হয়ে যাবে! মেয়েটির পুরো ফোকাস আপনার উপর চলে আসবে। মেয়েটি ভাব্বে আরে! আমিই সবাকে এড়িয়ে চলি আর এই ছেলে আমাকেই এড়িয়ে চলতেছে! আচ্ছা কান্ড তো! মেয়ে ভাব্বে এই সেদিনই তো ছেলেটি আমার পিছে ঘুর ঘুর করছিলো! আমার সাথে কথা বলার জন্য পাগল ছিলো! আর আজ সে আনাকেই এড়িয়ে চলতেছে? কাহীনি কি? বিশ্বাস করুন মেয়েটি এই চিন্তাই রাতে ঘুমাতেই পারবেনা। কারন যে মেয়ে এ যাবৎ শত শত ছেলেকে ভাব দেখিয়ে আসতেছে,

 

আজ সেই তাকেই একটা ছেলে এড়িয়ে চলতেছে! তাকে কোনো দামই দিচ্ছেনা! এটা মেয়েটি কিছুতেই মেনে নিতে পারবেনা। এমন করে মেয়েটিকে আরো নানা ভাবে আপনি এড়িয়ে চলতে থাকুন। যেমন মনে করুন আপনি ক্লাসে বসে আছেন, তো যখনই মেয়েটি আপনার আশে পাশে কোথাও আসবে তখনই আপনি ওখান থেকে চলে যান। অথবা তার চোখের সামনে থাকবেন! কিন্তু তার দিকে ভুলেও তাকাবেন না,চোখাচোখি করবেন না। মেয়েটির সামনে পড়লেই চোখ নিচু করে অন্য দিকে চলে যাবেন।

 

মেয়েটি যেন বুঝতে পারে আপনি তাকে ঘৃনা করছেন। আপনি তাকে একদমই দাম দিচ্ছেন না, ব্যাস! এবার খেলা দেখুন । আপনি তাকে কিছুদিন আগেই রাণীর সিংহাসনে বসিয়ে দিয়েছিলেন! আর আজ তার থেকে সিংহাঁসন কেড়ে নিয়ে তাকে মাটিতে বসিয়ে দিয়েছেন। এটা নিয়ে মেয়েটির প্যাস্টিজে লাগবে আপনি মেয়েটিকে ডাইরেক্ট আপমান না করেও নিরবে প্রতিনিয়ত এভাবে তুচ্ছ করে যাচ্ছেন এতা মেয়েটি কিছুতেই মেনে নিতে পারবেনা ।

মেয়েটি এতোদিন থেকে তার সব বান্ধবীদেরকে গর্ব করে বলে আসতেছে যে, সব ছেলেই তার সাথে রিলেশন করার জন্য পাগল। সব ছেলেরাই তার সাথে কথা বলার জন্য তার পিছে পিছে ঘোরে, আর সেখানে আজ আপনি তার এতোদিনের ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে যাচ্ছেন! উলটো আপনি তাকে এড়িয়ে চলতেছেন। তাকে বিন্দু মাত্র মূল্য দিচ্ছেন না। এটা যদি তার বান্ধুবীরা দেখে বা তার বান্ধুবীরা বুঝতে পারে তাহলে তো তার ইজ্জতের ফালুদা হয়ে যাবে।

 

সে নেক্সটে আর কোনোদিন এটা নিয়ে গর্ব করতে পারবেনা। এই ভাবনা গুলো মেয়েটির মাথায় আসবেই ,আসতে বাধ্য হবে! আর তখন মেয়েটি তার সম্মান রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে যাবে। আপনাকে পুনরায় তার ফ্যান বানানোর জন্য। আপনাকে পুনরায় লাইনে আনার জন্য। ব্যাস মাম্মা! এবার আপনি রেস্ট নেন। এতোদিন আপনি মেয়েটির পিছনে ঘুরতেন ্‌ এবার মেয়েটিই আপনার পিছনে পড়ে যাবে আপনাকে পটানোর জন্য। এর আগে আপনি মেয়েটির আশে পাশে থাকলেও মেয়েটি আপনাকে খেয়াল’ই করতোনা। কিন্তু এখন দেখবেন আপনি যতোক্ষন মেয়েটির আশে পাশে থাকবেন ,ততোক্ষন ধরে মেয়েটির পুরো ফোকাস শুধু আপনার উপর’ই থাকবে।

 

সে সব সময় শুধু আপনাকেই লক্ষ্য করবে, আপনার সাথে কথা বলার চেষ্টা করবে, পুনরায় আপনার মনে জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করবে। এখন প্রসঙ্গ হলো এভাবে এটা কতোদিন পর্যন্ত আপনাকে চালিয়ে যেতে হবে? আর্থাৎ কতোদিন পর্যন্ত মেয়েটির সাথে কথা না বলে আপনাকে থাকতে হবে? তাই তো? ওয়কে বুঝিয়ে বলতেছি, প্লিজ ঠান্ডা মাথায় বোঝার চেষ্টা করবেন, মেয়েটি যেদিন প্রথম ক্লিয়ার বুঝতে পারবে যে আপনি তকে এড়িয়ে চলতেছেন। সেদিন থেকে শুরু করে আপনাকে এই কাজগুলো ততোদিন পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে। যতোদিন পর্যন্ত না মেয়েটি এই বিষয়টি সিরিয়াসলি না নেয়।

 

যখন দেখলেন মেয়ে এই বিষয়টি একদম সিরিয়াসলি নিয়ে নিয়েছে, সে এই ব্যাপারটি নিয়ে ভাবনায় পড়ে গেছে। তার আচারণ দেখে আপনার মনে হচ্ছে, সে আপনার সাথে কথা বলতে আগ্রহ দেখাচ্ছে ব্যাস ভেবে নেন আপনার কাজ ১০০% হয়ে গেছে। এবার আপনি চেষ্টা করুন, মেয়েটি যেন আপনার সাথে কথা বলার সু্যোগ পায়। প্রয়োজনে আপনি নিজের ইচ্ছা করে বা নিজে প্লান করে মেয়েটিকে সুযোগ তৈরি করে দিন। আপনার সাথে কথা বলার জন্য।
যদি দেখেন মেয়েটি নিজে খুজে আপনার সাথে কথা বলতে সংকোচ করতেছে,তাখন আপনিই না হয় যে কোনো অছিলায় মেয়েটির সাথে একদিন কথা বলুন।

 

দেখুন মেয়েটি মনে মনে খুশিতে ফেটে পড়বে, এবং মেয়েটি ফুল এনার্জি নিয়ে আপনার সাথে সেই আগ্রহের সাথে কথা বলা শুরু করে দিবে, আর এই যে আপনাকে সে আবার ফিরে পেলো, এরপর থেকে সে আপনাকে জীবনেও কোনোদিন আপনাকে অবহেলা তো করবেই না। বরং তার পিছনে যতো ছেলেরদের লাইন লেগে থাকনা কেনো? সে অন্য সব ছেলেদের চেয়ে সব সময় আপ্নাকেই বেশি গুরত্ত্ব দিবে। এটা ১০০% গ্যারান্টি দিলাম আর একটি কথা আপনি যখন মেয়েটির সাথে আবার কথা বলবেন বা মেয়েটিই যখন আপনার সাথে কথা বলবে, ত্তখন মেয়েটি কিন্তু আপনাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবে তুমি আমাকে এড়িয়ে চলছিলে কেনো?

 

বা আমার সাথে কথা বলছিলেনা কেনো? তো এটার উত্তর কি দিবেন? এবং মেয়েটিকে পুরোপুরি পটানোর জন্য আরো কি কি করতে হবে এসব নিয়ে খুব শীঘ্রই হয়তো একটা আর্টিকেল বানাবো যদি আপনাদের ভালো সাড়া পায় তো। তো মশাই আপনি একটা জিনিস খেয়াল করেছেন তো? আপনি কিন্তু এখনো আমাদের এই আর্টিকেলটি শেয়ার বা কমেন্ট করেননি তো মনে যখন পড়েই গেলো আমাদের ওয়েবসাইট ট সাবস্ক্রাইব করে দিন। আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব না করলে কিন্তু আপনাকে জরিপানা করব আপনাকে জরিমানা দিতে হবে। অবশ্যই জরিপানা থেকে বাঁচার জন্য এখনই আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথে থাকুন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

2022 meyepotanortherapy.Com