ফেসবুকে মেয়ে পটানোর গোপন পাঁচটি টিপস


ফেসবুকে মেয়ে পটানোর গোপন পাঁচটি টিপস

 

এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো ফেসবুকে মেয়ে পটানোর পাঁচটি টিপস। টিপসগুলো আপনি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজে ফেসবুকে যে কোন মেয়েকে পটাতে পারবেন। মেয়ে পটানোর টিপসগুলো আপনি শুধু ফেসবুকে না বাকি যত সোশ্যাল মিডিয়া আছে সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যাতে ফেসবুকে মেয়ে পটানোর টিপস আরো ভালোভাবে বুঝতে পারেন এই কারণে আমি কিন্তু আপনার জন্য নিচে একটি ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করেছি। নিচে থাকা ইউটিউব ভিডিওটি দেখার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে যেকোনো মেয়েকে ফেসবুকে খুব সহজেই পড়াতে পারবেন। তাহলে এখনি দেরি না করে নিচে থাকা ইউটিউব ভিডিওটি মনোযোগ দিয়ে দেখুন অথবা সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

 

 

হাই ফ্রেন্ডস, সবাই ভালো আছেন তো? উহুহুম, মন খারাপ থাকলে চলবেনা, কি?? মেয়ে পটাতে চান ? কিন্তু কিভাবে পটাবেন বুঝতে পারছেন না? চিন্তা নাই আমি তো আছি আপনার সমস্যার সমাধান করার জন্য। কারণ এখন আমি আপনার জন্য শেয়ার করব ফেসবুকে মেয়ে পটানোর গোপন পাঁচটি টিপস। এই টিপসগুলোর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ফেসবুকে মেয়ে পটাতে পারবেন, তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন টিপসগুলো দেখে নেয়া যাক।

 

(১) আপনি যেই মেয়েটিকে পরাতে যাচ্ছেন ওই মেয়েটির ফেসবুক আইডিতে ঢুকে প্রতিটা পোস্টে লাভ রিয়েক্ট দিবেন সময়। প্রতিটা পোস্টে কমেন্ট করবেন। এর ফলে মেয়েটির ধীরে ধীরে আপনাকে চিনতে শুরু করবে। মেয়েটিয খন পরবর্তী সময়ে পোস্ট করবে তখন আপনার কমেন্ট ও রিয়েক্ট এর অপেক্ষায় অবশ্যই থাকবে। কারণ আপনি সব সময় মেয়েটির ফেসবুক পোস্টে মেয়েটির প্রশংসা রিলেটেড কমেন্ট করবেন অথবা যেই পোস্ট ওই পোস্ট রিলেটেড প্রশংসা করবেন এক কথা শুধু প্রশংসা করবেন। পাশাপাশি প্রত্যেকটা পোস্টে লাভ রিয়েক্ট অথবা পোস্ট রিলেটেড রিয়েক্ট ব্যবহার করবেন।


(২) বেশিরভাগ সময় দেখা যায় যেই ছেলেরা ভালোবাসার গল্প নিয়ে ফেসবুকে বেশি লেখালেখি করে ওই ছেলেদেরকে মেয়েরা বেশি পছন্দ করেও বেশি ভালোবাসে। তাহলে আর কি মামা এখনি দেরি না করে ফেসবুকে লেখালেখি শুরু করে দিন ,,ভালোবাসার গল্প,,ভালোবাসার কবিতা,,ভালোবাসার উপন্যাস,, ইত্যাদি যেটা আপনি ভালো পারেন শুধু বসে না থেকে শুরু করে দিন। আমিতো আপনার পাশে আছি না মামা চিন্তা কি পাশে থাকবো।

 

তো বন্ধুরা মেয়েদের ফেসবুকে ইম্প্রেস করার জন্য এর থেকে ভালো উপায় আর কি হতে পারে। মেয়েরা সুন্দর সুন্দর পোস্ট পেলে ছেলেদের উপর দুর্বল হয়ে পরে। তাই কোন মেয়েকে পটাতে চাইলে এখন থেকে সুন্দর সুন্দর পোস্ট করা শুরু করে দিন। ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন মেয়ে বিষয়টি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে।


(৩) অনলাইনে পরিচিত মেয়ে বা যার সাথে এর আগে কিছুদিন মেসেজ হয়েছে এমন মেয়েকে অনলাইনে পেলে সাথে সাথে মেসেজ করে বলতে পারেন , আরে তোমাকেই তো খুজতেছিলাম! মেয়ে তখন অবশ্যই বলবে কেনো?

 

তখন আপনি বলবেন ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম! ডাক্তার বললো আমার শরীরে নাকি ভিটামিন “ইউ” এর অভাব আছে। আর সুন্দ রী কোনো মেয়ের সাথে চ্যাট করলে নাকি এই ভিটামিনের অভাব পূরণ হবে।

 

তো এটা শুনে মেয়েটি হাসবে, এবং মেয়েটি যদি আপনাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করে তো আমাকে খুজতেছিলে কেনো? তখন আপনি বলবেন, সুন্দরী মেয়ে বলতে আমি তো একমাত্র তোমাকেই চিনি, তোমাকে ছাড়া আর কাউকে তো আমার সুন্দরী মনে হয়না,

 

অবশ্যই মেয়ে পটানোর জন্যে এমন রোমান্টিক কথা অনেক ইমপোর্টেন্ট। বিষয়টি অবশ্যই সব সময় মাথায় রাখবেন এমন উল্টাপাল্টা কথা মাঝে মাঝে ভুলবেনা। আর এভাবে কোনো মেয়ের প্রসংসা করতে পারলে মেয়ে তো এমনি আপনার প্রেমে ফিদা হয়ে যাবে।


(৪) আপনি যে মেয়েকে পটাতে চাচ্ছেন এমন মেয়ের সাথে চ্যাটিং করার সময় বা ফোনে থা বলার সময় তাকে বলবেন, তোমার অনেক বড় একটা রোগ আছে , তো এটা শুনে মেয়ে বলতে পারে ,”হোয়াট কি রোগ? তখন আপনি বলবেন তোমার রোগটা অনেক জটিল একটা রোগ। যেটা হাজারো বা লক্ষ মেয়ের মাঝে একজনের হয়ে থাকে। এই এই কথাটা শুনে অবশ্যই মেয়েটি আরো ভয় পেয়ে যাবে। এবং বলবে বাট রোগটা কি? তখন আপনি বলবেন রোগটার নাম ” অপরুপ সুন্দরী ” তুমি যেভাবে দিনকে দিন ” অপরুপ তোমার প্রমে অসুস্থ হয়ে যাব। সব সময় এইভাবে কিছু ডায়লগ অথবা উল্টাপাল্টা কথা বলবেন এই কথাগুলো শুনে অবশ্যই মেয়ে আপনার প্রেমে পড়ে যাবে।


ফেসবুকে কোন বন্ধুগুলো করলে মেয়ে পটবে না

 

(৫) ফেসবুকে কি করলে মেয়ে পটবে? এটা জানা যতোটা ইমপোর্টেন্ট তার চেয়ে বেশি ইমপোর্টেন্ট হলো কোন ভুলগুলো করলে মেয়ে পটবেনা! ফেসবুকে যে কাজগুলো করলে মেয়ে পটবেনা, লাইক, কমেন্ট, এড্ড মি, হুম, গুড মর্নিং, গুড সন্ধ্যা,রাজনৈতিক স্টাটাস, ছ্যাকা খাওয়া স্টাটাস, বিতর্কিত স্টাটাস, বা আইডিতে শুধুমাত্র ছবি আপলোড করা , এই ধরনের স্টাটাস দিলে জীবনেও কোন মেয়ে পটবেনা। বিষয়গুলো অবশ্যই সব সময় মাথায় রাখবেন। ভুলেও কখনো এ কাজগুলো করা যাবে না যদি করেন তাহলে কিন্তু সবকিছু শেষ হয়ে যাবে।

 

আগের থেকে একটা কথা বলে রাখি আমি কিন্তু আমার ব্যক্তিগত মতামত আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আমার কথা যে আপনাকে মানতে হবে এমন কোন আইন বাংলাদেশের সংবিধানে লেখা নাই। তবে আপনি চাইলে মানতে পারেন বাড়াতে জেনে নাও মানতে পারেন। তবে অবশ্যই নিচে থেকে ফেসবুক কমেন্ট এর মাধ্যমে আপনি আপনার মূল্যবান মতামত আমাদেরকে শেয়ার করতে পারেন।

 

আরে মশাই সবথেকে ইনপরটেন কথা তো বলতে ভুলেই গেছি। আমাদের ইউটিউব চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ার নাম হচ্ছে ” মেয়ে পটানোর থেরাপি ” ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে ও সোশ্যাল মিডিয়া ফলাও করে আমাদের সাথে থাকবেন। আরেকটা কথা এখন অফিস জড়িত সেটা সিনিয়র সেফটি কিন্তু আপনাকে সাবস্ক্রাইব করতে হবে সাবস্ক্রাইব না করলে জরিমানা হবে। তাহলে এখনি দেরি না করে আমাদের ওয়েবসাইটে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে যান।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

2022 meyepotanortherapy.Com